একাত্তরে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে যুদ্ধবিমান পাঠাতে চেয়েছিল তুরস্ক

একাত্তরের ডিসেম্বরে পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা দিতে আমেরিকা কয়েকটি দেশকে রাজী করিয়েছিল। তাদের মধ্যে সৌদি আরব ও তুরস্ক অন্যতম। 

তাদের মধ্যে তুরস্ক ৬টি এফ-৫ যুদ্ধবিমান পাঠাতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। বিমানগুলোতে পাকিস্তানী পাইলট ও চিহ্ন দেওয়ার কথা ছিল। 

অন্যদিকে জর্ডান বলেছিল নিজস্ব ক্রুসহ ৪টি যুদ্ধবিমান দেবে। 

তাছাড়া ইরানের শাহ বলেছিলেন তিনি অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠাতে পারবেন। [CIA CREST records]
উল্লেখ্য, ভারত ও পাকিস্তানের উপর নিজেদের আরোপিত সামরিক নিষেধাজ্ঞার কারনে পাকিস্তানকে সরাসরি অস্ত্র সহায়তা দিতে পারেনি আমেরিকা। আবার তৃতীয় কোন দেশের মাধ্যমে আমেরিকান অস্ত্র হাতবদল করায় আইনি জটিলতা ছিল। 
ভারত পূর্ব পাকিস্তানকে সাহায্য করায় এবং একই সময়ে কাশ্মীরে হামলা করার কারনে পাকিস্তান নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিকে “পাকিস্তানের ধর্ষণ” বলে আখ্যায়িত করে পাকিস্তানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের ভুল ছিল বলে বারবার আক্ষেপ করছিল কিসিঞ্জার।
তবে রাশিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের সমর্থন দিয়ে ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করায় পাল্টা জবাব দিতে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল আমেরিকা।

এই কিসিঞ্জারকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়নি এখনো, উল্টো নোবেল শান্তি পুরস্কার বাগিয়ে বসে আছে।

বলে রাখা ভালো, পঁচিশে মার্চ শুরু করা অপারেশন সার্চলাইটে স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের উপর গণহত্যা চালাতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আমেরিকান অস্ত্র ব্যবহার করেছিল।

Advertisements

List of settled issues regarding Bangladesh war crimes trials

Here is the list of 12 key issues settled by the Appellate Division and the International Crimes Tribunal as mentioned in the judgement in the case against ex-Jamaat MP Sakhawat Hossain and seven others.

i. Customary International Law [CIL] shall not be applied if it is contrary to the Act of 1973;

ii. There is no rule of CIL that prohibits our domestic Tribunal to proceed with the trial as per our domestic legislation;

iii. Our domestic Tribunal has the jurisdiction to continue with the trial in any manner acting in derogation of rules of public international law;

iv. There is nothing repugnant to CIL in the Act of 1973, rather it is consonant with the provisions of CIL;

ICTv. The inordinate delay in commencing any proceedings under the Act of 1973 ipso facto can not be a ground to doubt the truth or veracity of the prosecution case;

vi. By the amendment of section 3(1) of the Act of 1973 through Act No.LV of 2009 the jurisdiction of the Tribunal has been extended to try and punish ‘any individual,’ ‘organization’ or ‘group of individuals’ besides any member of any armed, defence or auxiliary forces, irrespective of his nationality who has committed crimes against Humanity mentioned in section 3(2) of the Act of 1973;

vii. The Act of 1973 is a protected law and the moment, sub- section (1) of section 3 was amended by way of substitution, it became part of the Statute and it got the protection of any legal challenge to be void or unlawful or even to have become void or unlawful in view of the provisions of Article 47(3) of our Constitution;

viii. The clemency given to the admitted prisoners of War, pursuant to the tripartite agreement of 1974, in no way, either match the Act of 1973 or any of its provisions ineffective, invalid or void;

ix. Mere failure of the successive governments to act in accordance with the Act of 1973 for last more than forty years, in no way, gave any right to the accused to be exonerated from being tried for the commission of crimes against Humanity as mentioned in section 3(2) of the Act of 1973;

x. In the Act of 1973, no limitation has been prescribed for initiating proceedings against any individual or group of individuals or organization or any member of any armed, defence or auxiliary forces irrespective of nationality for the commission of his crimes mentioned in section 3(2) of the Act of 1973;

xi. The Collaborators Order, 1972, a different legislation aiming to prosecute the persons for the offences punishable under the Penal Code, were scheduled in the Collaborators Order, 1972, while the Act of 1973 has been enacted to prosecute and try the persons for crimes against Humanity, genocide and other crimes committed in violation of customary international law [CIL], and as such, there is no scope to characterize the offences indulging in the Collaborators Order, 1972 to be the same offences as specified in the Act of 1973;

xii. The Act of 1973 is a codified law, thus, it is not needed to travel to seek assistance from other trials held or is being held by the tribunals/ courts either under the charter of agreements of the nations or under other arrangements under the mandate of United Nations or other International body, such as Nuremberg trial and the Balkan trials.

জামায়াতের ইসলাম, রাজনীতি ও আমাদের দূর্বলতা

This slideshow requires JavaScript.

পাকিস্তানপন্থী জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা মানেনা, সংসদের দ্বারা আইন হবে তা মানেনা, এবং মানুষের তৈরি আইনে দেশ চলবে তাও মানেনা। তারা চায় ইসলামী আইন। মানে হয়তো কোরানের আলোকে ও হাদিসের সহায়তায় রাষ্ট্র পরিচালনা করা।

এটা কোন রাজনৈতিক বক্তব্য না, এসব কথা এই দলের গঠনতন্ত্রে লেখা।

সবচেয়ে আশ্চর্যের ও আফসোসের বিষয় হলো যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছে, এদেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, খুন-ধর্ষন-লুটপাট করেছে মুসলমান-হিন্দু নির্বিশেষে, তাদের গঠনতন্ত্রে ২০১২ সালেও এসব লেখা! তারা এখনও বাংলাদেশের আইনের আওতায় রাজনীতি করে যাচ্ছে গঠনতন্ত্রে এসব সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বিষয়বস্তু থাকা স্বত্বেও। ২০১০ সাল থেকে ৪ বার তাদের এই দুটি বিষয়সহ ৮টি ধারা সংশোধন করতে বলা হয়েছিল, তারা করেনি। কত দুঃসাহস! হায়রে আমাদের নির্বাচন কমিশন, হায়রে আমাদের সরকার-প্রশাসন!!! (আপডেটেড, নভেম্বর ৭, ৫টা ৫৫মিনিট)

জামায়াতের মহান উদ্দেশ্য বাংলাদেশে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, কারন যেহেতু–

১) আলাহ ব্যতীত নিখিল সৃষ্টির কোন ইলাহ নাই এবং নিখিল বিশ্বের সর্বত্র আলাহর প্রবর্তিত প্রাকৃতিক আইনসমূহ একমাত্র তাঁহারই বিচক্ষণতা, শ্রেষ্ঠত্ব ও সার্বভৌমত্বের সাক্ষ্য দান করিতেছে;

২) আলাহ মানুষকে খিলাফতের দায়িত্ব সহকারে পৃথিবীতে প্রেরণ করিয়াছেন এবং মানব রচিত মতবাদের অনুসরণ ও প্রবর্তন না করিয়া একমাত্র আলাহ প্রদত্ত জীবন বিধানের অনুসরণ ও প্রবর্তন করাকেই মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করিয়া দিয়াছেন;

৩) আলাহ তাঁহার প্রদত্ত জীবন বিধানকে বাস্তব রূপদানের নির্ভুল পদ্ধতি শিক্ষাদান ও উহাকে বিজয়ী আদর্শ রূপে প্রতিষ্ঠিত করিবার উদ্দেশ্যে যুগে যুগে নবী-রাসূলগণকে প্রেরণ করিয়াছেন;

৪) বিশ্বনবী মুহাম্মাদুর রাসূলুলাহ (সালালাহু আলাইহি ওয়া সালাম) আলাহর সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং আলাহর প্রেরিত আল-কুরআন ও বিশ্বনবীর সুন্নাহই হইতেছে বিশ্ব মানবতার জীবনযাত্রার একমাত্র সঠিক পথ সিরাতুল মুস্তাকীম;
৫) ইহকালই মানব জীবনের শেষ নয় বরং মৃত্যুর পরও রহিয়াছে মানুষের জন্য এক অনন্ত জীবন যেখানে মানুষকে তাহার পার্থিব জীবনের ভাল ও মন্দ কাজের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব দিতে হইবে এবং সঠিক বিচারের পর জান্নাত বা জাহান্নাম রূপে ইহার যথাযথ ফলাফল ভোগ করিতে হইবে;
৬) আলাহর সন্তুষ্টি অর্জন করিয়া জাহান্নামের আযাব হইতে নাজাত এবং জান্নাতের অনন্ত সুখ ও অনাবিল শান্তি লাভের মধ্যেই মানব জীবনের প্রকৃত সাফল্য নিহিত;
৭) আলাহর বিধান ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি দিক ও বিভাগে প্রতিষ্ঠিত করিয়াই মানুষ পার্থিব কল্যাণ ও আখিরাতের সাফল্য অর্জন করিতে পারে;
৮) স্বাধীন বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ এবং বাংলাদেশের জনগণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের মধ্য দিয়া বাংলাদেশ বিশ্বেও মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম জাতি-রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করিয়াছে; –সেহেতু এই মৌলিক বিশ্বাস ও চেতনার ভিত্তিতে ইসলামী সমাজ গঠনের মহান উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর এই গঠনতন্ত্র প্রণীত ও প্রবর্তিত হইল।

এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল কেননা প্রধান বিরোধীদল বিএনপির এরা প্রধান শরিক। এদের হাতে ভোটও আছে অনেক। দেশের কয়েকটি জেলায়, মাদ্রাসায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে, মেডিকেল কলেজে ও বুয়েটে এদের ব্যাপক প্রাধান্য আছে। আর শিক্ষিত-অশিক্ষিত ধর্মভীরু মুসলমানরা তো আছেই।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এই দলটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধীতা করা সত্বেও ১৯৭৯ সালের পর নানাভাবে রাজনীতি, প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বেসরকারি নানা পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে এই ২০১২ তে এসে এরা মহীরুহ হয়ে গেছে, শিকড় ছড়িয়ে দিয়েছে সমাজের গভীরে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভবে নিয়ন্ত্রন ও প্রভাবিত করছে দেশের একটি বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠীকে। এরশাদের আমলে রাষ্টধর্ম হিসেবে ইসলামকে ঘোষনার মাধ্যমে এদের রাজনীতি করা ও সমাজে প্রভাব বিস্তার করার পথ সুগম হয়।

স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন হলেও এদেশে কখনো জামায়াত নির্মূল আন্দোলন গড়ে উঠেনি। যা প্রমান করে এদের শক্তি আর সাহস।

রাজনৈতিক ফায়দা নিতে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ পর্যন্ত এদের সাথে সরকারবিরোধী জোট করেছিল। তবে তা বেশীদিন টিকেনি।

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম জনগনকে সাথে নিয়ে একসময় গোলাম আযমের বিচার করলেও ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেনি আওয়ামী লীগ, জনগনের সমর্থন থাকা সত্বেও। ফলে ২০০১ সালে বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে ক্ষমতায় এসে নিজেদের অবস্থা আরো পাকাপোক্ত করেছে জামায়াত।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদেরা বলেন রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। ব্যবসার মতো রাজনীতিতেও আসলে ফলাফলের বা লাভের জন্য ছোটাছুটি চলে, গালাগালি হয়, মারামারি হয়। যদিও এই দুটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য বিষয়ে অংশগ্রহনকারীদের নৈতিকতা ও সততা থাকাটা সবচেয়ে বেশী জরুরি, কেননা এগুলোর দ্বারা একটি দেশে, সমাজে, পরিবারে ও ব্যক্তির জীবনধারা নির্ধারিত হয়।

দূর্ভাগ্যবশত অত্যাচারী শাসন থেকে স্বাধীনতার ৪১ বছর পরেও আমরা এখন নিজেদের দেশের মানুষের দ্বারা, স্বদেশী পুলিশ দ্বারা, সরকারব্যবস্থা দ্বারা শোষিত ও নির্যাতিত হচ্ছি। আবার দুর্নীতি ও অন্যায়ের প্রবল প্রসারের কারনে সাধারন মানুষও যোগ দিচ্ছে সুবিধাবাদীদের দলে। যার ফলাফল জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষদের সার্বিক নৈতিক অবক্ষয়।

আর এই দূর্বলতার সুযোগটাই নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। আর সম্প্রতি শুরু হওয়া যুদ্ধাপরাধের বিচার হবার আগে পর্যন্ত গোলাম আযম, নিযামী, মুজাহিদ, কামারুজ্জামান আর সাঈদীর মত ঘৃন্য জানোয়ারগুলো এই দলের নেতৃত্বে থেকে এই দেশে একটা অস্থিরতা বজায় রেখেছে, বাধা দিয়ে চলেছে বাংলাদেশপন্থী কর্মকান্ড।

তাদের সহযোগী হিসেবে আছে ছাত্র শিবিরের উচ্চশিক্ষিত নেতাকর্মীরা। দলের কর্মী ছাড়াও লাখে লাখে সাধারন মুসলমান এদের পক্ষে আছে, যারা চায় বর্তমান শাসনব্যবস্থা, সমাজব্যবস্থা ভেঙ্গে সাচ্চা মুসলমানদের ইসলামী একটা দেশ হিসেবে পৃথিবীতে মাথা তুলুক বাংলাদেশ। আবার কিছু ছোট ছোট ইসলামী দল ও জঙ্গী সংগঠন আছে তাদের মতাদর্শী। কিছু ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু এখনো কমপক্ষে ২০টি সমমনা দল আছে জামায়াতের। এরা আফগানিস্তান বা পাকিস্তানের মত দুর্ধর্ষ কর্মকান্ড করেনা, বরং ধীরে চলো নীতি মেনে শিকড় ছড়িয়ে যাচ্ছে ক্রমশ।

আর বোধহয় তাই ধর্মপ্রচার বাদ দিয়ে এরা রাজনীতি করে ক্ষমতায় যাবার জন্য, ক্ষমতা নিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজে নিজেদের পছন্দের পরিবর্তন আনতে।

এদের শিকড় এভাবে বাড়তে থাকলে, কয়েকটা নেতার মৃত্যুদন্ড বা জেল হলেও, এরা টিকে যাবে স্বাধীনতাপন্থী দলের দূর্বলতা ও আপামর জনসাধারনের সীমাবদ্ধতা ও অনীহা বা খামখেয়ালীপনার কারনে।

প্রথমত, কঠোর আইন প্রনয়নের মাধ্যমে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে যেন কোন ধর্মাশ্রয়ী দল মাথা তুলতে না পারে।

দ্বিতীয়ত, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম বাদ দিতে হবে।

তৃতীয়ত, জামায়াতের নেতাদের বক্তব্যসম্বলিত বই ও পুস্তিকা পর্যালোচনা করে সেগুলোর মাধ্যমে দেশে ইসলামের নামে যেসব ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে সেগুলো জাতির সামনে তুলে ধরে সর্বজনগ্রাহ্য চিন্তাবিদদের মাধ্যমে সেসব ব্যাখ্যার অসাড়তা প্রমানে সরকারকে সচেষ্ট হতে হবে।

চতুর্থত, পত্রিকা, টিভি, মসজিদ, মাদ্রাসা, ওয়াজ মাহফিল ও পীরদের আস্তানায় কে কি বক্তব্য রাখছে তার পর্যালোচনা করতে হবে এবং দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

সর্বোপরি, শিক্ষিত ও ধর্মভীরু অরাজনৈতিক মানুষদের আরেকটু সচেতন হতে হবে যেন তারা কোরান পড়ে, নিজের বিচার বিবেচনায় ও সর্বোচ্চ মানবিক আচরন করে এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদের জীবন ও দর্শন অনুসরনের মাধ্যমে নিজেদের সত্যিকারের মুসলমান হিসেবে গড়তে পারেন।

Myanmar & Ramu: No punishment? Then let’s start it again!

We should not forget the 1971 War for ‘Bangladesh’

আওয়ামী লীগে যুদ্ধাপরাধী কারা? বিচার চাই।

The Satkhira frustration

এইবার গোলাম আযমের পক্ষে ভারতের জামায়াত প্রধান

গোলাম আযম দিয়ে শুরু করা দরকার ছিল

‘বুদ্ধিজীবী হত্যা’র স্পষ্ট ও সুষ্ঠু তদন্ত চাই