SAMSUNG

শীত এলেই রাস্তাঘাটে ময়লা-আবর্জনা জড়ো করে পোড়ানোর ধুম লাগে। সাধারণত সিটি কর্পোরেশনের কর্মী, এলাকার গার্ড বা দাড়োয়ানেরা “মশা তাড়ানোর” নাম করে এই আকাম করে দায় সারতে চায়। বিশেষ করে ডাস্টবিনের আশেপাশে এমন ঘটনা আজকাল হরহামেশাই চোখে পড়ছে।

ছোট আগুন দেখলে আমি গিয়ে পানি ঢালি, কিন্তু বড় সড় হয়ে গেলে আশাহত হই।

গত দুইদিন ধরে কে বা কারা আমাদের বাসার পাশের খালি জায়গাটার আগাছা-ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করছে। ভালো কথা। কিন্তু কাজের শেষে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। ফলে তৈরি হচ্ছে বিষাক্ত ধোঁয়া!

এই ধোঁয়া কতটা ক্ষতিকর তা হয়তো সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মী বা বাড়ির দাড়োয়ানেরা জানেনা। কিন্তু নগরের তথাকথিত শিক্ষিত অধিবাসীরা কি করছে? তারা কেন এভাবে আগুন জ্বালানোর প্রতিবাদ করছে না?

আজ সিদ্ধান্ত নিলাম কারো আশায় বসে থাকবো না। কালই আদাবর থানায় যাবো, লিখিত অভিযোগ জানাবো।

খবর নিয়ে জানলাম আমাদের পাশের প্লটে পরিষ্কার করে আগুন জ্বালানোর বুদ্ধিটা এই আবাসিক এলাকার সভাপতির। অভিযোগটা তার বিরুদ্ধেই করবো। দেখি পুলিশ কি করে।

পুলিশ ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ অধিদপ্তরে গিয়ে আবার অভিযোগ জানাবো। শুধু আমার এলাকায় নয়, এমনভাবে আবর্জনা যেন কোথাও না পোড়ানো হয় তার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবো।

বিষাক্ত বাতাসের কারনে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে আমার শিশুটির, যে শারীরিক ক্ষতি হবে তার দায় যেহেতু কেউ নেবে না, সেহেতু এহেন কর্মকান্ড বন্ধ করতেই হবে।

Advertisements