বাংলাদেশে নারীদের বিষয়ে উগ্রপন্থীদের ভাবনা


হালের হেফাজত-এ-ইসলামের নেতা বা সমমনা ইসলামী ব্যক্তিত্বরা, সাঈদী ও মুফতি আমিনীরা নারীদের নিয়ে খুব চিন্তিত। তাদের ধারণা আধুনিকতা ও বাঙ্গালীয়ানার কারনে মেয়েদের মধ্যে ইসলামী মূল্যবোধ দেখা যাচ্ছেনা। তাই তারা সারা বছর ফতোয়া দিয়েই যাচ্ছে। এসব ফতোয়া ও উস্কানী বে-আইনী হলেও সরকার কোন বিশেষ কারনে এসব ভন্ডদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। আবার সুশিক্ষিত মুসলামনরাও চুপ থাকে, হয় ভয়ে অথবা মৌন সমর্থন থাকার কারনে।

সর্বশেষ হেফাজতের ১৩দফায় নারীদের নিয়ে দুইটি দাবী ছিল। সরকার তাদের দাবীর বিষয়ে আইনী ব্যাখ্যাও দিয়েছিল।

দাবী ৪– ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্জলনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা|

ব্যাখ্যাঃ ব্যভিচার দন্ডবিধির ৪৯৭ ধারা অনুসারে দন্ডনীয় অপরাধ। দন্ডবিধির ৪৯৭ ধারাটি নিম্নরূপঃ

‘Whoever has sexual intercourse with a person who is and whom he know or has reason to believe to be the wife of another man, without the consent or connivance of that man, such sexual intercourse not amounting to the offence of rape, is guilty of the offence of adultery, and shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both. In such case the wife shall not be punished as an abettor.’

তাছাড়া The Dhaka Metropolitan Police Ordinance, 1976-এর ৭৫ ধারায় প্রকাশ্যে অশ্লীল আচরনের জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ৭৫ ধারাটি নিম্নরূপঃ

Whoever willfully and indecently exposes his person in any street or public place or within sight of, and in such manner as may be seen from any street or public place whether from within any house or building or not, or uses indecent language or behaves indecently or riotously, or in a disorderly manner in a street or public place or in any office, station or landing place, shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.

অন্যান্য Metropolitan Police Ordinance-তেও একইরূপ শাস্তির বিধান রয়েছে।

সংবিধানের ১৯(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- ‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।’

সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- ‘জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতি স্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যগ ও বাংলাদেশে পূন:প্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেকে নাগরিকের থাকিবে।’

সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩৯ অনুচ্ছেদটি নিম্নরূপঃ

(1) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(2) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমানা, মানহানী বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সর্ম্পকে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে-

(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং

(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।’

ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতা এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অবাধ বিচরণ সংবিধানের স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। উক্ত অধিকার ক্ষুন্ন করে কোন বিধান প্রণয়ন করা হলে উহা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৬ পরিপন্থি হবে বিধায় অনুচ্ছেদ ৭ ও ২৬ অনুযায়ী উক্ত বিধান বাতিল হবে।

উল্লেখ্য নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অবাধ বিচরণ নিষিদ্ধ করা হলে সরকারী বেসরকারী কর্মস্থলসহ জাতীয় উন্নয়নের চাবি কাঠি গার্মেন্টস্ সেক্টরে নিয়োজিত লক্ষ লক্ষ নারী কর্মী কর্মহীন হয়ে পড়বে যা জাতীয় অর্থনীতি ও উন্নয়নকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এছাড়াও এ দাবী পূরণ করা হলে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষা ব্যবস্থা বিলুপ্ত করতে হবে। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন বিঘ্নিত হবে, যা সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থি।

সরকারি ব্যাখ্যার পর হেফাজত তাদের দাবিটি আরো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করে:

. দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নারী জাতির সার্বিক উন্নতির বিকল্প নেই। লক্ষ্যে তাদের নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মস্থল, সম্মানজনক জীবিকা এবং কর্মজীবী নারীদের ন্যায্য পারিশ্রমিকের ব্যবস্থা করতে হবে। ঘরেবাইরে কর্মস্থলে নারীদের ইজ্জতআব্রু যৌন হয়রানি থেকে বেঁচে থাকার সহায়ক হিসেবে পোশাক বেশভূষায় শালীনতা প্রকাশ হিজাব পালনে উদ্বুদ্ধকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এবং একই লক্ষ্যে নারীপুরুষের সকল প্রকার বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে অবাধ অশালীন মেলামেশা, নারীনির্যাতন, যৌন হয়রানি, নারীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার সহিংসতা, যৌতুকপ্রথাসহ যাবতীয় নারী নিবর্তনমূলক ব্যবস্থা কঠোর হাতে দমন করতে হবে।

ব্যাখ্যা : তথাকথিত গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাস্তিক্যবাদী ব্লগাররা শুধু আল্লাহ, রাসূল, ইসলাম ও মুসলমানদের নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেই থামেনি। সাথে সাথে আবহমান বাংলার রক্ষণশীল সামাজিক অনুশাসন এবং সংস্কৃতির উপরও আঘাত করে অনেক কর্মকা- ইতোমধ্যেই করে ফেলেছে। বিয়ে বহির্ভূত ও ঘনিষ্ঠ অনাত্মীয় নারী-পুরুষের দৃষ্টিকটু বিচরণ ও রাস্তায় একসঙ্গে; এমন কি একই তাবুতে অবস্থান করে রাত্রি যাপনের মত অনৈসলামিক, অসামাজিক ও এদেশের আবহমান কৃষ্টিকালচার সংস্কৃতি বিরোধী কাজ প্রকাশ্যে ঘটছে শাহবাগে। ধর্মীয় অনুভূতি ছাড়াও যা পারিবারিক, সামজিক এবং জাতীয় সাংস্কৃতিক দৃষ্টিতেও কখনো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

শাহবাগে যে কালচারের চর্চা চলেছে ও চলছে, তা দেশে চালু হলে নারীদের নিরাপত্তা সর্বক্ষেত্রেই বিঘœ হবে। দেশের নারী সমাজকে ইভটিজিং, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানী থেকে বাঁচিয়ে রেখে সর্বোপরি নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই উপরোক্ত কর্মকা- বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। ইসলাম নারীর মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং যৌনহয়রানী থেকে বেঁচে থাকার জন্য হিজাব প্রথা বাধ্যতামূলক করেছে এবং পুরুষদেরকেও বৈধ সম্পর্কের বাইরে নারীদের সাথে দৃষ্টিঅবনত রেখে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে বলে চমৎকার ভারসাম্য রক্ষা করেছে। কাজেই হিজাব পালন করে, অথবা যৌন উদ্দীপনা তৈরি করে না- এমন শোভনীয় পোশাক পরে নারীরা নিরাপদ কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে বা ঘর থেকে বের হতে তো কোন বাধা নেই। ইসলাম নারীর নিরাপত্তার দিকটা কঠোরভাবে দেখে। কেবল সুযোগসন্ধানীরাই এটাকে নারী অবদমন বলে অপপ্রচার চালায়। আমাদের কথা পরিষ্কার যে, হিজাব বা শালীনতার সাথে নারীদের নিরাপদ পথচলাচল, শিক্ষার্জন ও কর্মক্ষেত্রে যেতে কোন বাধা নেই। উদাহরণতঃ নারীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য আলাদা বালিকা বিদ্যালয় বা মহিলা কলেজ থাকতে পারলে আলাদা কর্মক্ষেত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে আপত্তি তোলার যুক্তি থাকতে পারে না।

দাবী ৫– ইসলামবিরোধী নারীনীতি, ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাতিল করে শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা।

ব্যাখ্যাঃ

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যসূচীতে মুসলমানদের জন্য ইসলাম ধর্ম শিক্ষা এবং অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য তাদের নিজ নিজ ধর্ম শিক্ষার ব্যবস্থা বিদ্যমান। ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে তা সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদের লংঘনের সামিল। সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। ৪১ অনুচ্ছেদ নিম্নরূপঃ

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে-

(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবল¤¦ন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে;

(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।

(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।

সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে নারীর প্রতি সমান আচরণ এবং নারীদের উন্নয়নের জন্য সরকারকে বিশেষ নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। ২৮ অনুচ্ছেদটি নিম্নরূপঃ

‘(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।

(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।

(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারনের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।

(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।’

সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষা নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদে বর্ণিত বিভিন্ন বিধান এবং সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ১৯৪৮ এ বর্ণিত বিধান জাতীয় শিক্ষা নীতিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

তাছাড়া জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত Convention on Elimination of all forms of Discrimination against women-1982 এর ম্যান্ডেট অনুযায়ী নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে নারী নীতিমালা প্রণয়ন করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

হেফাজতের নতুন ব্যাখ্যা:

. নারীনীতি শিক্ষানীতির ইসলাম বিরোধী ধারা বিষয়সমূহ বিলুপ্ত করতে হবে এবং শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলামের মৌলিক শিক্ষা মুসলিম ছাত্রদের জন্য বাধ্যতামূলক করতে হবে।

ব্যাখ্যা: ত্যাজ্য সম্পত্তিতে সমাধিকারের আইনসহ নারী নীতির পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী ধারাগুলোই আমরা সংশোধনের দাবি করছি। এছাড়া জাতিসংঘ কর্তৃক বিতর্কিত সিডো সনদ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। এই সিডো সনদের বিরুদ্ধে খ্রীস্টানদের ধর্মীয় নেতা পোপ ও ভ্যাটিকানসহ অনেক মুসলিম ও খ্রীস্টান দেশ আপত্তি জানিয়েছে। এই সিডো সনদ কার্যকর হলে পারিবারিক ব্যবস্থা বলে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। এই বিতর্কিত সনদে বিয়ে বহির্ভূত অবাধ যৌনাচারের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে সন্তানের পিতৃ পরিচয় বিলীন হয়ে যাবে। আমরা নারী সমাজকে স্পষ্ট করে জানাতে চাই, ইসলাম সর্বোত্তম উপায়েই নারীদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষার পক্ষে। আর বর্তমানের নাস্তিক্যবাদিরা নারীদেরকে কেবল অলঙ্কারিক ও ভোগ্যপণ্য রূপেই বিবেচনা করে।

অন্যদিকে সরকার ঘোষিত শিক্ষা নীতিতে ধর্মীয় শিক্ষাকে সঙ্কুচিত করা হয়েছে। এখানে ধর্ম শিক্ষা রাখা হলেও ছাত্র-ছাত্রীদের মন ও মননে ধর্মহীন করার জন্য কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়া হয়েছে। চলতি ২০১৩ সালের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্য বইসমূহে ইসলামের যে অপব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে, তা চরম অগ্রহণযোগ্য। তাছাড়া কোমলমতি ছেলে-মেয়ে শিশুদেরকে ক্লাসে একসাথে বসিয়ে যেভাবে যৌন শিক্ষা চালু করা হয়েছে, তা এদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিকতা ও সুস্থ সামাজিক অনুশাসনকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মানুষকে যাবতীয় পশুপ্রবৃত্তি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অন্যায়-অপরাধ থেকে বাঁচিয়ে রাখতে ধর্মশিক্ষা বা ধর্মীয় অনুভূতির বিকল্প নেই। এ কারণে নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের উদ্যোগ থেকেই আমরা দাবি জানিয়ে আসছি যে, শিক্ষার সকল স্তরে সঠিক ধর্ম শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

আবার গত সপ্তাহে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম নামের একটি নিষিদ্ধ জঙ্গি দলের নামে ঢাকার বিভিন্ন মিডিয়াতে পাঠানো একটি ইমেইলে ছয় দফা আইনের বিষয়ে তারা নির্দেশনা দিয়েছে।

Ansarullah directives

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s