MP Liton_wantedশিশু সৌরভকে গুলি করার পর আজ আটদিন পার হতে চললো…স্পীকার শিরিন শারমিন চৌধুরী এখনো এমপি লিটনকে গ্রেপ্তার করার জন্য অনুমোদন দেননি মনে হচ্ছে।

কাল ফেসবুকে একটা ট্রল দেখলাম যেখানে বলা হয়েছে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জের এই কৃতি আওয়ামীলীগ নেতাকে আগামী অলিম্পিকে বাংলাদেশের শ্যুটিং দলের সাথে পাঠানো হোক। তবে গুলি করার আগে তাকে মদ খাওয়াতে হবে কিনা সেটার পরামর্শ ডাক্তাররা দিলেই ভালো।

বেসরকারি সূত্রে জানা গেলো প্রধানমন্ত্রী নাকি আরো দুইদিন আগে বলেছেন লিটনের বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবেনা। আর গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানালেন লিটন আত্মসমর্পন না করলে তাকে নাকি গ্রেপ্তার করা হবে।

গাইবান্ধা ও ঢাকার সাংবাদিক মারফত জানা গেল লিটন এখন তার গুরুর ছায়াতলে বহাল-তবিয়তে আছেন। গ্রেপ্তার এড়াতে ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বির বাসার চেয়ে বেশি নিরাপদ আর কি হতে পারে?

২০০৯ থেকে এ পর্যন্ত কোন অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার কারনে কোন সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে বলে শুনিনি। লিটনকে গ্রেপ্তার করা হলে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হবে, নিন্দার ঝড় বাড়বে এই আশংকায় হয়তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পীকার সম্মানজনক কোন পথের অপেক্ষায় আছেন।

কিন্তু এমন একজন নিন্দিত এমপিকে সাহায্য করে আওয়ামীলীগের নীতিনির্ধারকরা দলের নেতা-কর্মী ও জনগনকে কি বার্তা দিচ্ছেন?

অবশ্য আমরা দেখেছি টপ টেরর শামীম ওসমানকে রক্ষা করতে প্রধানমন্ত্রী সংসদে কিভাবে দলের জন্য ওসমানের বাবার অবদানের কথা বললেন।

অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত সংসদ সদস্য, সরকারি চাকুরে ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের আইনের হাত থেকে রক্ষা করতে অতীতের সরকারগুলোর মতো আওয়ামীলীগও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

আমরা জানলাম। আমরা বুঝলাম। কিন্তু মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ হোক!

Advertisements