ধর্ম শিক্ষাও ধর্ষণ ঠেকাতে ব্যর্থ!


গত এক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশিত ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায় ‪#‎ধর্ষণের‬ শিকার নারী ও শিশুদের মধ্যে কমপক্ষে ৫০জন মাদ্রাসার ছাত্রী এবং তিনজন ছাত্র। এসব ঘটনায় কমপক্ষে ১৭জন মাদ্রাসা শিক্ষক ও মসজিদের ইমাম জড়িত। একটি ঘটনায় এক মাদ্রাসা সুপার তার নিজের মেয়েকেই ধর্ষণের দায়ে এখন মামলার মুখোমুখি।

ধর্ষণের জন্য অনেকেই মেয়েদের দায়ি করেন, মানে তাদের “উগ্র পোশাক ও খোলামেলা আচরণের” কারনে নাকি ছেলেরা ধর্ষণ করতে আগ্রহী হয়, মানে অসভ্য-বর্বর সাঈদী-শফি হুজুরেরা যেভাবে বুঝানোর চেষ্টা করে আর কি!

তবে এই ধরণের পুরুষেরা শিশু ধর্ষণের পক্ষে কোন যুক্তি দেখাতে অক্ষম। পাশাপাশি তাদের যদি জিজ্ঞেস করা হয় মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত ছাত্র-ছাত্রীরা কেন ধর্ষণের শিকার হয় বা যেসব ব্যক্তি মাদ্রাসায় ধর্ম শিক্ষা দেয় বা মসজিদে ইমামতি করে তারা কেন মাদ্রাসার শিশুদের ধর্ষণ করবে, উত্তর দিতে পারবে না।

One comment

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s