শিশু রাজনের হত্যাকারীকে পালাতে সাহায্যকারী পুলিশের শাস্তি চাই


Justice is what we demand
Justice is what we demand

সিলেটের রাজন হত্যা মামলায় পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রে ১৩জন আসামীর নাম আছে। তারা সবাই শিশুটিকে ক্ষত-বিক্ষত করে খুন করার জন্য দায়ী। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি ও খুনের সাথে কারো জড়িত থাকার প্রমাণ মেলেনি। এমনকি তারা দূর থেকে ঘটনা পর্যবেক্ষন করেছেন এমন প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

ফলে আদালত আজ অভিযোগ গঠন করলেও পুলিশের সম্পৃক্ততার বিষয়টি আসেনি।

কিন্তু যতদূর মনে পড়ে দায়িত্বে অবহেলা, রাজনের বাবার সাথে অশোভন আচরণ ও মূল আসামীকে বিদেশে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার অপরাধে জালালাবাদ থানার ওসি আলমগীর হোসেন এবং দুইজন সাব-ইনসপেক্টরের বিরুদ্ধে (নামমাত্র) শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়, মানে তাদের বদলী করা হয়।

পুলিশের গঠিত তদন্ত কমিটি এদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলেও, তারা কিভাবে শুধুমাত্র বদলী হয়েই পার পেয়ে গেলো তা রহস্যজনক। যদিও এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে।

যেমন বিশ্বজিতকে যখন কুপিয়ে, পিটিয়ে মারা হচ্ছিলো তখন পাশেই ডি এমপি’র একজন সিনিয়র কর্মকর্তা (রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী) এবং র‍্যাব বাহিনীর লোকজন উপস্থিত ছিল। তারা চেয়ে চেয়ে দেখেছেন, মানে খুনীদের প্ররোচণা দিয়েছেন এবং পালাতে সাহায্য করেছেন। সেইসব পুলিশ কর্মকর্তার নাম আসামীদের তালিকায় আসেনি। এ নিয়ে দুই-একজন আইনজীবী ছাড়া সারা দেশের মিডিয়া, মানবাধিকার সংস্থা বা কেউ উচ্চবাচ্য করেনি।

রাজনের বাবা, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান দুজনেই দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সরকারের কাছে দাবী জানিয়েছিলেন। সরকারপ্রধাণ থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীসহ অনেক সরকারি কর্মকর্তা রাজনের বাবাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা হবে।

আর এই তার নমুনা!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s