সাকা, খন্দকার মাহবুবের ‘পাকিস্তান’ মিথ্যাচার


This slideshow requires JavaScript.

“২৯শে মার্চ, ১৯৭১ থেকে ২০শে এপ্রিল, ১৯৭৪ পর্যন্ত আমি পাকিস্তান ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা,” ট্রাইব্যুনালে এমন দাবী করলেও প্রমাণ করতে পারেনি সাকা চৌধুরী। কেনো? কারন তার বন্ধুরা ট্রাইব্যুনালে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছিল। English Version

অন্যদিকে সরকারপক্ষ কয়েকটা তথ্য-প্রমাণ হাজির করে এবং ১৪জন সাক্ষীর মাধ্যমে প্রমাণ করে যে সাকা আসলে পাকিস্তান গিয়েছিল সেপ্টেম্বরে, মার্চ মাসে নয়। সেইসব তথ্যের মধ্যে ছিল দৈনিক পাকিস্তানের ২৯শে সেপ্টেম্বর সংখ্যার একটি খবর ও ২রা অক্টোবরের স্পেশাল ব্রাঞ্চের একটি প্রতিবেদন যেখানে বলা হয়েছে ২২শে সেপ্টেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনে সাকার গাড়ির ড্রাইভার নিহত হয় এবং সাকা মারাত্মক আহত হয়।

যুদ্ধাপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা নিয়ে ৮ই জানুয়ারি ১৯৭২ সালে দৈনিক বাংলা একটি প্রতিবেদনে বলে “১৭ই জুলাই ১৯৭১ সালে গুডস হিলের নির্যাতন কেন্দ্রে ছাত্র নেতা ফারুককে হত্যা করে সাকা।”

এসব তথ্য-প্রমাণের উপর ভিত্তি করে ট্রাইব্যুনাল এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে সাকা আসলে দেশেই ছিল এবং সেপ্টেম্বরের শেষে পাকিস্তানে চলে যায়।

এর পরেও সাকার ধূর্ত আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগে শুনানীকালে দাবী করে সাকা “২৯শে মার্চ, ১৯৭১ থেকে ২০শে এপ্রিল, ১৯৭৪ পর্যন্ত পাকিস্তানে ছিল!”

খন্দকার মাহবুব হলো খালেদা জিয়ার ৪৫-উর্ধ উপদেষ্টাদের মধ্যে একজন। সে ১৯৭২ সালে দালাল আইনে রাজাকারদের বিচার প্রক্রিয়ার সরকারি আইনজীবী ছিল।

২০১৩ সালের পহেলা অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল যখন সাকাকে মৃত্যুদন্ড দেয়, তখন সে এক সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত সবার বিচার করা হবে মর্মে হুমকি দেয়। পরে ক্ষমা চেয়ে আদালত অবমাননার দায় থেকে মুক্তি পায় এই শয়তান।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s