রাসেল স্কোয়ারে ট্রাফিক সার্জেন্টদের আড্ডা চলছে; মানে চারজন মিলে গাড়ি আটকাচ্ছেন, কাগজপত্র দেখছেন, গল্প করছেন, মামলা করছেন, আবার কাউকে কাউকে ছেড়ে দিচ্ছেন।

পাশেই শেরেবাংলা নগর থানার একটি পেট্রোল গাড়ি। তার এসআইও নেমে গেছে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে। মনে হয় কামাই আজ ভালোই হচ্ছে!

যাই হোক, কয়েক মিনিট তাদের কর্মকান্ড ভিডিও করার পর চলে আসার সময়দেখলাম সেই এসআই একটা প্রাইভেট কার আটকালেন। সাথে সাথে সামনের বাম সিট থেকে ইয়া বুইত্তামারা একটা লোক নেমে আসলো।

খেক খেক করে হাসতে হাসতে পুলিশকে কি যেন বললো…এসআই তখন তাকে গাড়ির দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিতে গিয়ে বলছিলো, ‘আরে, আগে বলবেন নাহ!’

আরো একগাল হেসে লোকটা বললো, ‘এইমাত্র গোপালগঞ্জ থেকে আসলাম!’

এই একই জায়গায় মাঝে মাঝে ট্রাফিক সার্জেন্ট আর পুলিশের চেকপোস্ট বসে। গাড়ি, মটরসাইকেল, সি এনজি অটোরিক্সার কাগজ দেখেন তারা। খুবই ভালো লাজ; এটা তাদের দায়িত্বও বটে।

কিন্তু সমস্যাটা হলো মামলা না করে আপরাধীর কাছ থেকে প্রকাশ্যে ঘুষ নেয়া ও ছেড়ে দেয়া।

পুলিশ আবার একটু বেশি স্মার্টঃ গনহারে রিক্সা আটকায় এখানে। তারপর মালিকদের ফোন করে টাকা/জরিমানা আদায় করা হয়।

মগের মুল্লুক আর কি!

Advertisements