ঘটনাক্রমঃ

* হেফাজতের হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র জিকরুল্লাহ ঢাকায় আসে শনিবার এবং যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসায় রাত কাটায়।

* রবিবার বিকেলে চার খুনি হাতিরঝিলে পরিকল্পনা করে। তারা হলো জিকরুল্লাহ, এবং মিরপুরের দারুল উলুম মাদ্রাসার আরিফুল ইসলাম, আবু তাহের ও মাসুম। আলোচনা শেষে তিনজনকে তিনটা চাপাতি দেয় মাসুম।

* পরিকল্পনা অনুযায়ী সেদিন সন্ধ্যায় টার্গেট ওয়াশিকুর বাবুর দক্ষিণ বেগুনবাড়ির বাসা রেকি করে খুনিরা।

* সোমবার সকালে বাবুর বাসার কাছে অপেক্ষায় ছিল খুনিরা। মতিঝিলের ফারইস্ট ট্রাভেল এজেন্সি অফিসে যাবার জন্য বের হতেই বাবুকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে পালাতে চায় তারা। রাস্তায় উপস্থিত লোকজন নির্বিকার দাঁড়িয়ে ছিল।

* এমন সময় দুইজন শিখণ্ডী দৌড়ে জিকরুল্লাহ ও আরিফকে ধরে ফেলে। পরে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

* স্থানীয়রা বাবুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

* বাবুর সারা মুখে ও গলায় বেশ কয়েকটি গভীর ক্ষত থেকে অবিরাম রক্ত ঝরে তার মৃত্যু হয়।

* জিকরুল্লাহ ও আরিফকে প্রথমে পুলিশ এবং পরে গোয়েন্দা ও র‍্যাব সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করে।

* বিকেল ৪টার দিকে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

হিটলিস্টে ৮৪, হত ৮: ওয়াশিকুর হত্যার নির্দেশদাতাদের সন্ধানে পুলিশ

খুনিরা হেফাজতে ইসলামের অনুসারি

খুনিদের ধরিয়ে দিলেন দুই ‘শিখণ্ডী’

ফের অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট খুন, ২ জনকে ধরল জনতা

‘ব্লগ কি বুঝি না, ঈমানি দায়িত্বে হত্যা করেছি’

অভিজিৎ হত্যার জট না খুলতেই খুন আরেক ব্লগার

Advertisements