ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তন চাই। নো-মোর ভোটাভুটি।

এখন থেকে মল্লযুদ্ধের টুর্নামেন্ট হবে ৫বছর পরপর; বিশেষ ইন্ডোর স্টেডিয়ামে খেলা হবে। ব্যবসায়িরা হবে দলগুলোর স্পন্সর; রাষ্ট্রের হর্তাকর্তারা হবে দলের ম্যানেজার আর সুবিধাভোগী কুশিক্ষিত সুশীল সমাজ হবে চিয়ারলিডার্স। গ্যালারি পূর্ন থাকবে দলীয় ক্যাডারে যারা প্রয়োজনে মাঠে নামতে পারবে।

খেলা হবে দলের প্রধান থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় কমিটি ও তাদের নির্বাচিত অনুগত নেতারা আর আদালত হবে রেফারি।

২৪ঘন্টার মধ্যে যেই দল জিতবে তারা নতুন ঠিকাদারি শুরু করবে। সার্টিফিকেট পাওয়ার খুশিতে নতুন উদ্যমে দল গড়বে, চাটুকার-খুনী-দুর্নীতিবাজ পুষবে, খরচ করবে-মাস্তি করবে পরবর্তী টুর্নামেন্ট পর্যন্ত। ঠিকাদারীর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার ৯০দিন আগে আবার টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হবে।

জনগনকে তথা দর্শকদের নিয়ে নো টেনশন, তারা স্টেডিয়ামের চৌহদ্দীর মধ্যেও নাই। কারন তারা খেলা দেখবে টিভিতে, লাইভ! এতে সুবিধা হইলো ক্ষমতাপ্রেমী রাজনৈতিক নেতা ও সমর্থকদের কামড়াকামড়িতে এখানে-সেখানে বেহুদা জীবন দিতে হবেনা, সম্পদও লুট বা ধ্বংস হবেনা।

এইরকম স্টেডিয়াম বাংলাদেশের ব্যবসায়ি আর রাজনীতিবিদরা কয়েকশ বানাইতে পারবে। নো টেনশন। বিশাল টার্নওভার!