Felani murder trial flares up Bangladesh social media

felani-4People especially the youths have strongly rejected the verdict in teenager Felani murder case and questioned the willingness of the Indian government in bringing down the number of killing along the border to zero.

Mainly in Facebook and blogs, people since Friday have been heavily censuring the Indian Border Security Forces (BSF) for carrying out “mockery” in the name of trial of self-declared killer Amiya Ghosh, a BSF soldier, at a special court in West Bengal that began on August 13. He was acquitted because of “inconclusive and insufficient” evidence against him.

Some youths have launched “boycott India” campaigns in the fields of television channels and products, while many others have been blaming the ruling Awami League for its failure to compel Indian authorities to stop shooting, torture and abduction of Bangladeshis.

A number of protest rallies and human chain programmes have also been announced by individuals and youth groups regardless their political or religious identities. They term the next door neighbour “mighty India” and slam for its aggressive role along the border when the country has also failed to implement the land boundary agreement of 1974 that involves exchange of enclaves.

Reports say even Bangladeshi farmers are killed often while working in the fields near border areas. And in the case of Felani, she was neither a terrorist from India’s “seven sisters” nor a smuggler. The poor girl of 15 was returning to Bangladesh with his father “illegally” only to save money that is needed for having valid papers.

The aggrieved people call for retrial of the accused BSF member and demand that the two governments implement the “zero-killing” pledges made by the Indian prime minister and senior government officials on different occasions.

Even in formal meetings between the countries’ home ministers, the Indian side assured that they would use no-lethal weapons like rubber bullets, if necessary. Strong vigil was supposed to be carried out as well as information sharing between the frontiers to curb smuggling and other offences.

Interestingly, to stop the killing of “cattle smugglers,” former BSF chief SK Bansal suggested that cattle trading be legalised since Bangladesh as a Muslim country needed thousands of cows round the year, especially during Eid. But the suggestion was ignored by the policymakers may be because the official was near his retirement.

Many people, however, protest like a ghost as they do not expect anything better from a paramilitary security force taking into consideration the instance of Rapid Action Battalion or Rab – an elite force of Bangladesh largely responsible for extrajudicial killings and torture. It claims that Rab members shoot only when they are attacked.

BSF has always pledged to stop shooting but maintained that they had to fire in retaliation to attacks by gangs, a claim dismissed by the people with conscience – individuals and rights groups – from both sides of the border, and beyond that.

Last year, during the World Cup cricket match between India and Bangladesh, several youth groups in the gallery waved banners and placards demanding a stop to border killing. The protest was widely covered by media, including Reuters.

Despite repeated protests and media reports, there has been no sign of restrain from the BSF side. However, it should be mentioned that the number of deaths is the highest along its Bangladesh border than any other part of the world.

The Border Guard Bangladesh (BGB) has always been showing restrain; they only arrest the intruders – no matter they are insurgents, smugglers or commoners – in line with the international border law that stipulates that the border forces would arrest the offenders and try in court.

Even though the BSF has killed over a thousand people along the 4,000km border line with India on three sides, the BGB has not failed its temper. The BSF targets not only the alleged criminals but also unarmed poor Bangladeshis who cross the border.

Moreover, in this case, the apparently reluctant role of successive governments in Bangladesh is also questioned as they always sent official protests to their counterpart and the Indians sometimes said “sorry.” The responsible ministers – and at least in one instance the prime minister – defended the BSF saying that they would have to fire upon Bangladeshis for security.

The incumbent prime minister in parliament hinted that the Bangladeshis die on border for their own faults while the LGRD minister while blaming local smugglers said last year that the killings had taken place earlier, in present and would continue in future. The home minister in parliament cited several offences the Bangladeshis commit along the border because of why they are killed by the BSF.

The opposition alliance of BNP and Jamaat, better known for their anti-India ideology, too failed to curb let alone stop border killings when they were in power in 1991-06 and 2001-06.

It was for the first time the BSF initiated a trial of its member for killing Bangladeshi nationals, most of who had been cattle smugglers. In another instance last year, BSF was apparently forced to sentence its eight soldiers and an officer to around three months for torturing a Bangladeshi youth as the NDTV, an Indian news channel, broadcasted the incident taken by a mobile.

In the last eight months, news reports suggest that the number of deaths of Bangladeshi people in BSF shooting, torture and abduction stands at 21 whereas the BGB official records claim it is 14.

The United Nations last year too raised its concerns apart from other rights organisations. A delegation visited India and discussed with the government high-ups on a possible way out.


কিছু আজব উক্তিঃ

২১ জানুয়ারি ২০১২

সৈয়দ আশরাফঃ
সীমান্তে গুলি আগেও হতো, এখনও হয়, ভবিষ্যতেও হবে। এ নিয়ে সরকার চিন্তিত নয়।

প্রনব মুখার্জিঃ
“Such incidents often take place at the border. There is no need to blow them out of proportions.”

২৪ জানুয়ারি ২০১২
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিঃ

গত তিন বছরে সারাদেশের সীমান্তে মোট ১৪১ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে প্রায় ৩৫০ জন সীমান্তে মারা গেছেন। মন্ত্রণালয়ের এ হিসাবে কমিটি মনে করে, সীমান্তে আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে হত্যাকাণ্ড কমেছে।

কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলী সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকের বলেন, ‘একটি বন্ধুপ্রতীম দেশের সঙ্গে যেভাবে আলোচনা করা উচিত, বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড নিয়ে সে ধরনের আলোচনাই করছে। সরকার যেভাবে এ বিষয়টি হ্যান্ডেল করছে, সেটিও সঠিক বলে মনে করে কমিটি।’

‘সরকার বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণমাধ্যম নয় যে, তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ পাঠাতে হবে। সরকারকে সবকিছু জেনেই প্রতিবাদ পাঠাতে হয়।’

‘প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক যতো গভীর হয়, ততোই এ ধরনের ঘটনা কমতে থাকে। আমাদের ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে।’

‘সীমান্ত হাট, তিন বিঘা করিডোর উন্মুক্তসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের ফলে সীমান্তে হত্যাকাণ্ড কমে আসছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিবাদের সঙ্গে সৈয়দ আশরাফের বক্তব্য সাংঘর্ষিক কিনা জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি বলেন, ‘কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি আমার কথা বলতে পারি। তবে তার (আশরাফ) ওই বক্তব্য সাংঘর্ষিক নয়।’

বিষয়ঃ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত
স্থানঃ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
নভেম্বর ২৮/২৯, ২০১২

শেখ হাসিনাঃ

নোয়াখালী-১ আসনে বিএনপির সাংসদ এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের উত্তরে সংসদ নেতা বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। সীমান্ত হত্যা বন্ধে ইতিমধ্যে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সীমান্ত সম্মেলনে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের সম্মেলনে এ ধরনের হত্যার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এসব সম্মেলনে ভারতের কাছ থেকে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০৬ সালে সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ৯৫ জন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালে ৮৭ জন, বর্তমান সরকারের সময়ে ২০১১ সালে ৪৮ জন এবং ২০১২ সালের বুধবার পর্যন্ত ৩১ জন নিহত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা যেন শূন্যে নামিয়ে আনা যায়, সে জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সীমান্তে অহেতুক মানুষ হত্যা বন্ধে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ টহল শুরু হয়েছে। এ ছাড়া এ দেশের মানুষকে সচেতন করতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাতের বেলায় সীমান্তের দেড় শ গজের মধ্যে যেন না যায়, সে জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে সচেতনতামূলক কাজ চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সীমান্তে হত্যার পেছনে অনেক ঘটনা আছে। এগুলো বললে তা আমাদের ঘাড়েই এসে পড়বে।’

আবদুল মতিন খসরুর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের মাদকের কারখানা আছে। এ ব্যাপারে ভারত সরকারকে বলা হয়েছে। তারা কিছু কারখানা ধ্বংস করেছে। কিন্তু এগুলো একদিকে করা হলে অন্যদিকে আবার তৈরি হয়।’ তিনি সাংসদদের বলেন, ‘আপনাদের যাঁদের কাছে এ ধরনের কারখানার তালিকা আছে, তা সরকারকে দিন। সরকার ভারতকে দেবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’

মহীউদ্দীন খান আলমগীরঃ

জামায়াতে ইসলামীর সাংসদ এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার কারণ হলো রাতের অন্ধকারে অনুপ্রবেশ, চোরাকারবারিদের অন্তঃকলহ, সীমান্তরক্ষীদের ওপর চোরাকারবারিদের আক্রমণ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসএফ ৭১৭ জনকে হত্যা করেছে। এ সময় আহত হয়েছে ৫৭০ জন। বিএসএফ গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করেছে।



Also read:

Border killings rising; why!

Govt happy with BSF border killing situation!

A win over India, in cricket, border killing

Indian apology not enough to end border murders


  1. Very sad facts. Failure of the Bangladesh government to compel the Indian high-ups enforce using ‘rubber bullets’ only when attacked policy, agreed back in 2011. Moreover, the Bangladesh government head, the 2nd man of ruling party and the home minister said several times that the locals and smugglers are killed for violating laws. The home minister once said the BSF shoots only in self-defence…what a farce! It’s been the world’s worst border where shooting is very casual activity. These days abduction and torture incidents are rampant. Here, small cattle smugglers are killed, even farmers and unarmed civilians working along the border are shot; but the phensidyle, heroin and yaba, arms, gold, fuel, fertiliser, garments smugglers and insurgents trespass easily. The Indian government has failed to civilise its border forces on the Bangladesh border.

    Not only the current government, the previous BNP-Jamaat government too failed to stop the BSF in the last decade. The people’s voice in Bangladesh are not heard, while only a couple of rights groups in West Bengal work on it. The whole India’s should have protested such brutal shooting culture.

    And the most common smuggling item “cows” should be legalised; and the trade barriers be relaxed for other daily necessities.


Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s