Border killings rising; why!


The Indian Border Security Force or BSF is not using non-lethal weapons at the border with Bangladesh, and because of that the number of deaths in Bangladesh side is yet to go down.

The deaths have been on the rise for the last few days, ahead of the Muslim’s largest festival Eid-ul-Azha on November 27.

Why?

Did you notice that those killed along border by BSF are cattle traders (rarely farmers)?

Bangladesh is not self-sufficient in raising cattle throughout the year, and therefore, the demand during Eid-ul-Azha when millions of cows and goats, and some imported camels are sacrificed.

The smuggling continues throughout the year, as admitted by top officials of both the countries. It’s an open secret that other than cattle, this long border allows smuggling of drugs, arms, fertiliser, fake currency and fuel, and also human trafficking!

Locals say smuggling is a common profession for most people in the border areas. And it’s not that tough if the border forces are bribed and informed of a consignment beforehand.

Authorised trading takes place only at the checkposts while the other points are used by those poor or clever smugglers or their men to dodge duties.

Locals allege that the BSF shoots only when the smugglers try to dodge them.

Meanwhile, the members of Border Guard Bangladesh or BGB are relatively polite and practice restrain. They don’t shoot down Indian nationals and allow Bangladeshi smugglers in exchange of bribes.

The BGB follows the international border laws in a quite impressive way.

Is it stupidity?

Whatever you call it, the governments should speak and do something ‘realistic’ now, because it’s already late.

Over 1000 Bangladeshis have been killed by BSF in the last decade, condemned by every quarter locally and globally, except for the ‘politicians’.

6 comments

  1. জামায়াতে ইসলামীর সাংসদ এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার কারণ হলো রাতের অন্ধকারে অনুপ্রবেশ, চোরাকারবারিদের অন্তঃকলহ, সীমান্তরক্ষীদের ওপর চোরাকারবারিদের আক্রমণ।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদকে বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএসএফ ৭১৭ জনকে হত্যা করেছে। এ সময় আহত হয়েছে ৫৭০ জন। বিএসএফ গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করেছে।

    Like

  2. নোয়াখালী-১ আসনে বিএনপির সাংসদ এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের উত্তরে সংসদ নেতা বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। সীমান্ত হত্যা বন্ধে ইতিমধ্যে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে সীমান্ত সম্মেলনে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের সম্মেলনে এ ধরনের হত্যার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এসব সম্মেলনে ভারতের কাছ থেকে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

    চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে ২০০৬ সালে সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ৯৫ জন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালে ৮৭ জন, বর্তমান সরকারের সময়ে ২০১১ সালে ৪৮ জন এবং ২০১২ সালের বুধবার পর্যন্ত ৩১ জন নিহত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা যেন শূন্যে নামিয়ে আনা যায়, সে জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

    জাতীয় পার্টির হাফিজউদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সীমান্তে অহেতুক মানুষ হত্যা বন্ধে সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ টহল শুরু হয়েছে। এ ছাড়া এ দেশের মানুষকে সচেতন করতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাতের বেলায় সীমান্তের দেড় শ গজের মধ্যে যেন না যায়, সে জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দিয়ে সচেতনতামূলক কাজ চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘সীমান্তে হত্যার পেছনে অনেক ঘটনা আছে। এগুলো বললে তা আমাদের ঘাড়েই এসে পড়বে।’

    আবদুল মতিন খসরুর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সীমান্তে বিভিন্ন ধরনের মাদকের কারখানা আছে। এ ব্যাপারে ভারত সরকারকে বলা হয়েছে। তারা কিছু কারখানা ধ্বংস করেছে। কিন্তু এগুলো একদিকে করা হলে অন্যদিকে আবার তৈরি হয়।’ তিনি সাংসদদের বলেন, ‘আপনাদের যাঁদের কাছে এ ধরনের কারখানার তালিকা আছে, তা সরকারকে দিন। সরকার ভারতকে দেবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’

    Like

  3. Benapole, Nov 4 (UNB) – Four Bangladeshi cattle traders sustained bullet injuries in a gun attack by Indian Border Security Force (BSF) along Agrobhulat border here early Sunday.

    The injured were identified as Amir Hossain, son of Rabiul Islam, Sharif Hossain, son of Abdul Kuddus, Reza Mia, son of Abdul Wahab and Shaukat Ali, son of Akbar Ali of Agrobhulat village.

    Mosharraf Hossain, in-charge of 23 BGB Agrobhalut camp, said BSF members of Jhaudanga Camp fired on a group of Bangladeshi cattle traders when they were returning home along with cattle, leaving four of them injured.

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s