পদ্মাসেতুর দুর্নীতির অভিযোগের সূত্র ধরে মুহিত বারবার দৃঢ়ভাবে বলে আসছেন কোন দুর্নীতি হয়নি, আর আবুল হোসেন বলেছেন তিনি পবিত্র। অন্যদিকে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক, যারা নিজেরাই দুর্নীতির অভিযোগে ভারাক্রান্ত, তারা কিনা “কয়েকজন ঘুষ চেয়েছে তাই দুর্নীতি হয়েছে”ও সরকার তাদের বাঁচাতে চেয়েছে  এই অভিযোগে ১২০ কোটি ডলারের অর্থসাহায্য বাতিল করেছে। কারন সরকার শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে কোন মন্ত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়ার পক্ষপাতি নয়। যেমনটি আমরা দেখেছি সুরঞ্জিতের মন্ত্রীত্ব নিয়ে। দুটিতেই তদন্ত এখন চলছে এবং দুজন অভিযুক্তই মন্ত্রীর চেয়ারে বসছেন নিয়মিত।

তার মানে এদের খুটির কত জোর তা সহজেই অনুমেয়।

শান্তিপ্রিয় সমাজ চাইলে ন্যায়বিচারের বিকল্প নেই

“Where is the driver?” asks Suranjit

Corruption cripples development

ভাইসব, এর মধ্যে আবার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন তার পরিবারের সাথে দুর্নীতির কোনো ধরনের “সম্পৃক্ততা” নেই। তাদের লক্ষ্য দেশের জন্য কিছু করা।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বুধবার সংসদে বলেন তার পরিবারের কোনো সদস্যের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি কোনো সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করেন তবে যেন তাকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়।

সেজন্য তিনি তার ইমেইল ঠিকানা sheikhhasina@hotmail.com, গ্রামীণ নম্বর ০১৭১১-৫২০০০০ এবং রবি নম্বর ০১৮১৯-২৬০৩৭১ তাদেরকে সংরক্ষন করতে বলেছেন।

আশা করি যারা এই নম্বর ও ঠিকানাগুলো পেলেন তারা সরকারিই হন আর বেসরকারিই হন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন অভিযোগ থাকলে ইমেইল বা এসএমএস-এর মাধ্যমে, এবং সাহস থাকলে জরুরী অবস্থায় ফোন করে জানান। প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোন প্রকার আভাস দেয়া যাচ্ছেনা। খবর প্রদানকারি পরবর্তীতে কোনপ্রকার ক্ষতির সম্মুখীন হলে আমি দায়ি থাকবো না।

তার এই উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। তবে শুনেছি তারেক জিয়াও এরকম সংবাদ প্রদানের জন্য নিজের ফোন ও ফ্যাক্স নাম্বার দিয়েছিলেন।

মানে…যা বুঝতে পারছি আসলে দুর্নীতির সংজ্ঞায় একটা গড়বড় আছে মনে হচ্ছে। তাছাড়া “তথাকথিত ক্ষমতাবান” দুর্নীতি দমন কমিশন আসলে এই অসুখ সারাতে কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে সেটাও প্রশ্নসাপেক্ষ।

কিছুদিন আগে মুহিত ও দুদক চেয়ারম্যান উভয়েই এক সভায় বলেছেন দেশের বেশকয়েকটি খাত দুর্নীতিতে নিমজ্জিত, যার ফলে গনতন্ত্র ও আইনের শাসন ব্যাহত হচ্ছে।

Advertisements