গতবছরের নভেম্বরের ২০ তারিখে জনকন্ঠের জাবি প্রতিনিধি আহমেদ রিয়াদকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলার ঘটনায় মহান শরীফ এনামুল কবীরের প্রশাসন মার্চের ১০ তারিখের সিন্ডিকেট সভায় ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে বহিষ্কার করেছে। আর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিল আজকে!!!

কারন মনে হয় এই যে, যার সাথে ঝামেলার সূত্র ধরে সে মার খেল তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিল না আওয়ামী লীগের প্রশাসন।

সেদিন বিকালে সেন্ট্রাল মাঠে ক্রিকেট প্র্যাকটিস করাকে কেন্দ্র করে ভাসানী হলের পারভেজের সাথে তর্ক হয় রিয়াদের। পরে ২০-৩০ জন ছাত্রলীগ কর্মী ডেইরী গেটে তাকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। তার মাথা ও কোমর মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

শাস্তি পাওয়া ৬জনের মধ্যে ৪জনকে ৬মাসের জন্য ৩মাসের জন্য বহিস্কার করে প্রশাসন। এরা হলঃ একাউন্টিং-এর নাহিদ হোসাইন ও মাজেদ সীমান্ত, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মশিউর রহমান রোজেল এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের রাশেদুল হক পিয়াস।

বাকি ২জন হলঃ ভূতত্ত্ব বিভাগের শামীম হোসেন এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের মনিরুল ইসলাম।

ঘটনার পর পর ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এসএম আজগর আলী ছাত্রলীগের কর্মীদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তাদের শাস্তি দাবি করে।

আদেশের বিষয়টি নজরে আসলে, রেজিষ্ট্রার সাংবাদিকদের বলেন তদন্ত কমিটি অভিযুক্তরা ছাত্রলীগের সাথে জড়িত কিনা তা উল্লেখ করেনি।

ছাত্রলীগের প্রতিক্রিয়াঃ এই ঘটনায় ছাত্রলীগ ক্ষেপে ক্যাম্পাসে একটি মিছিল বের করে মিঠুন কুন্ডু নামের একজন স্বঘোষিত ছাত্রলীগের নেতার নেতৃত্বে। অতঃপর তারা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে। এসময় তারা সহকারি প্রক্টর মো সাইফুল ইসলাম ও কর্মচারী নাহিদুর রহমানকে লাঞ্ছিত করে।

ক্যাম্পাসে-বাইরে গুজব ছড়িয়ে যায় যে, এই প্রতিবাদের জের ধরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। যদিও ভিসি ডেইলী স্টারকে তার সম্ভাবনার কথা নাকচ করে। তার মতে এরা ছাত্রলীগ বা ছাত্রদলের কেউ নয়।

 

সরকারদলীয় হলে কত সুবিধা!

 

Advertisements