studentPolitics

ছাত্ররাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাধারন শিক্ষার্থীদের বুঝা দরকার যে ছাত্র সংসদ দরকার। কেননা তাহলে নিজেদের মধ্যে ভাল মানুষ হিসেবে পরিচিত, জনপ্রিয়-মানবীয় মুখগুলো সংসদের পদে বসে নিজেদের সমস্যা প্রশাসনের সাথে আলোচনা করতে পারবে ও সরকারের কাছে পৌঁছাতে পারবে।

তাছাড়াও আমি আশা করবো, সকল সচেতন ছাত্র-ছাত্রীরা ফ্রী ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সমমতের বন্ধুদের নিয়ে সাইট বানিয়ে নানা ঘটনা ও নিজেদের মতামত দেশে-বিদেশে আরো বেশি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিবে।

সন্ত্রাস কখনো “মানুষের” কোন ন্যায্য দাবি মেটানোর উপায় হতে পারেনা। সাধারন-সুস্থ মানুষ কখনো সন্ত্রাস করতে পারেনা।

জাহাঙ্গীরনগরে জানুয়ারির ৮ তারিখের ঘটনার প্রেক্ষিতে গড়ে উঠা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জুবায়েরের হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সবার গ্রেপ্তার ও বিচার না হওয়া নাগাদ বর্তমান ও প্রাক্তন সকল ছাত্র-শিক্ষকদের দাবি আদায়ে সচেতন থাকার আহবান জানাচ্ছি।

 

 

পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে” একাত্ম করার জন্য সবাইকে কমবেশি উদ্যোগ নেবার জন্য অনুরোধ করছি যাতে করে আমাদের দেশের কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে আর কখনো খুন-সংঘর্ষ-চাঁদাবাজি-নির্যাতনের ঘটনা না হয়।

ক্ষমতার কেন্দ্রে ও আশেপাশে থাকা দলগুলোর নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে ১০০হাত দূরে থাকুন, এদের বর্জন করুন। কাগজে-কলমে যাই থাকুক না কেন বাস্তব কাজকর্মে এদের কোন নীতি নাই, আদর্শ নাই, এমনকি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা বিষয়ক কোন সমস্যা নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নাই।

বরং ছাত্র-অধিকার নিয়ে কথা বললে সব সরকারি দলের সমর্থক ছাত্র-নামক কুত্তার বাচ্চারা হামলা করে প্রতিবাদ-আন্দোলন বানচাল করতে।

মারামারি করে, ভয় দেখিয়ে আর “রাজনৈতিক ও ক্ষমতাবান” শিক্ষকদের কাছ থেকে অন্যায় সাহায্য নিয়ে তাদের পাশে থেকে এরা ক্যাম্পসগুলোতে জমিদারি করতে বসে।