জাবি’র রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে নানান ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ফেসবুকের মন্তব্যের জন্য (সরকার প্রধানের বিরুদ্ধে বলেছে বলে)।

তার মানে কি দাঁড়ালো? আমার কিছু প্রশ্ন আছে–

১। সরকারি হোমড়া-চোমড়াদের নিয়ে কিছু বলা যাবেনা?
২। মনের খায়েশ মিটিয়ে সমালোচনা (ভাল-মন্দ) যাবেনা?
৩। বিরোধী দলের নেত্রীকে নিয়ে বলা যাবে?
৪। বিএনপি’র নেতারা যে বিভিন্ন সময় জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মুখ খারাপ করে, এটা-সেটা বলে তার কি হবে?
৫। প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে প্রশংসা না করলেও কি মামলা খেতে হবে বা ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আ লীগের হাতে মার খেতে হবে?
৬। আমরা কি সারা বছর সকল প্রধানমন্ত্রীকে মাথায় তুলে রাখবো আর তাদের উন্নতির জন্য দোয়া করব?
৭। আমার জানামতে, রুহুল আমিনের মত এমন আরো অনেকেই আছেন যারা নানা কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ক্ষেপে আছেন সরকার ও তার প্রধানের উপর, তারাও অনেকে ফেসবুকে, ব্লগে এমনকি পত্রিকাতে প্রতিবাদ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হচ্ছেনা কেন? এটা কি ঝি’কে মেরে বৌ’কে শেখানোর মত কোন বিষয়?

জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গিয়ে যারা দুনিয়া দাবড়ে বেড়াচ্ছেন, ট্যাক্সের টাকায় বেতন পাচ্ছেন, দামি গাড়ি-বাড়ি ব্যবহার করছেন যারা তাদের জবাবদিহিতার ব্যবস্থা তাহলে কে করবে?

একটি গনতান্ত্রিক-স্বাধীন রাষ্ট্রে আদালতেরই দায়িত্ব সেটা। কিন্তু আদতে আমাদের দেশে বর্তমানে বিচারক-কর্মকর্তাদের দলীয়করনের ফলে সেই পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই সাধারনের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

Advertisements